বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ গঠনতন্ত্র

 

অনুচ্ছেদ-১
নামকরণ : বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ
সংস্থা ইংরেজীতে “ Bangladesh Minority Watch (BDMW)
অনুচ্ছেদ-২

কার্যালয় :
অস্থায়ী কার্যালয়ঃ
 

অনুচ্ছেদ-৩
মনোগ্রাম :
সংগঠনের নিজস্ব মনোগ্রাম আছে


অনুচ্ছেদ-৪
সংগঠনের ধরণ :
একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, শালিস ও আইনি সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
 

অনুচ্ছেদ-৫
সদস্য:
বাংলাদেশ এর নাগরিক যে কেউ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্রের সাথে একমত পোষণ করে এ সংগঠনের সদস্য হতে পারবে
সেন্টার ফর দ্যা এনফোর্সমেন্ট অব হিউম্যান রাইটস এন্ড লিগাল এইড এর সদস্য হওয়ার শর্ত :
১. সংস্থা ও নেতৃত্বের প্রতি আনুগত থাকতে হবে।
২. কোন প্রকার ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক, ধর্মীয় প্রভাব বিস্তার করা যাবে না।
৩. সেন্টার ফর দ্যা এনফোর্সমেন্ট অব হিউম্যান রাইটস এন্ড লিগাল এইড সোসাইটির কাজে বাধা সৃষ্টি করে এমন কর্মকান্ড ঘটানো যাবে না।
৪. নিজ নিজ দায়িত্ব ও সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে।
৫. নিজেদের ভিতর কোন বিষয় নিয়ে গ্রুপিং করা যাবে না।
৬. নিজেদের কোন ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে সংগঠন এর উপরে প্রভাব ফেলা যাবে না।
৭. কোনো সদস্য অন্য কোন সমসাময়িক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না।
৮. কোন সদস্য আইন রাষ্ট্র ও বিরোধী কাজে লিপ্ত থাকলে, তার দায়ভার সংস্থা অথবা অন্যান্য সদস্যগন এর দায়ভার নিবেন না।
৯. সকল সদস্যই একে-অপরের ভাই-বোন সমতুল্য, নিজেদের ভিতর একাত্মতা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, আচার-আচারণ মার্জিত ও রুচিশীল হতে হবে।
১০. চেয়ারম্যান মহোদয় এর পরামর্শ মোতাবেক নির্বাহী পরিষদ যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তা সকল সদস্যকে অবশ্যই মানতে হবে। তবে ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যদি কোন সদস্য কোন অভিমত থাকে, তাহলে সে তার অভিমত প্রকাশ করতে পারবে। যৌক্তিক হলে তা অবশ্যই ভেবে দেখা হবে।
১১. যেকোন ইভেন্ট বা মিটিং-এ অবশ্যই উপস্থিত হতে হবে।

অনুচ্ছেদ-৬
সদস্য পদ বাতিলের/স্থগিতের নিয়মাবলী :
১. যদি কোন সদস্য স্বেচ্ছায় সঠিক ও উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে লিখিত আকারে পদত্যাগ করেন।
২. যদি মানসিক ভারসাম্য হারান।
৩. যদি সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও স্বার্থের পরিপন্থী কোন কাজ করেন বা তার স্বভাব আচার-আচরণ সংগঠন পরিপন্থী হয়।
৪. যদি দায়িত্ব ও কর্তব্য যথারীতি পালন না করেন বা সংগঠনের কাজে নিষ্ক্রিয় ও অকর্মণ্য হয়ে পরেন।
৫. প্রাসঙ্গিক কারণে কোন সদস্যকে বহিষ্কার করার এখতিয়ার সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব সংরক্ষণ করেন।


সাংগঠনিক কাঠামো:
সংগঠনের তিন স্তর বিশিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো নিন্মরুপ:
(ক) উপদেষ্টা পরিষদ
(খ) নির্বাহী পরিষদ
(গ) কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল
 

অনুচ্ছেদ-৭
সাংগঠনিক কাঠামো :
কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের গঠন কাঠামো
১। চেয়ারম্যান ১ জন
২। সিনিয়র সহ-সভাপতি ৩ জন
৩। সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৪।সহ-সাধারণ সম্পাদক ২ জন
৫। সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৬। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ২ জন
৭। অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
৮। প্রচার সম্পাদক ১ জন
৯। সহ-প্রচার সম্পাদক ১ জন
১০। স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১১। সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১২। দপ্তর সম্পাদক ১ জন
১৩। সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৪। সহ-সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৫। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৬। সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৭। আইন বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৮। সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৯। সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
২০। সহ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
২১। ত্রান ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
২২। সহ ত্রান ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন

অনুচ্ছেদ-৮
কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল এর দায়িত্ব, কার্যাবলী এবং যোগ্যতা :
চেয়ারম্যান

১। সংগঠনের প্রধান হিসেবে বিবেচিত হবেন।
২। সংগঠনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
৩। সংগঠনের সর্ব্বোচ্চ ব্যাক্তি হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
৪। চেয়ারম্যান এর স্বাক্ষর ছাড়া কোন প্রস্তাবই অনুমোদিত হবে না।
৫। চেয়ারম্যান সভা পরিচালনার পূর্ণ দায়িত্বে থাকবেন।
৬। সংগঠনের স্বার্থে ও কল্যাণে যে কোন প্রকার দায়িত্ব পালন ও সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন।
৭। কোন সভায় যে কোন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সম-সংখ্যক ভোট পরলে চেয়ারম্যান একটি কাষ্টিং ভোট প্রদান করবেন।
৮। বিশেষ প্রয়োজনে জরুরী সভা আহ্বান করবেন।
৯। নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের করণীয় ও কার্যাবলী নির্ধারণ করবেন।
১০। বিশেষ প্রয়োজনে চেয়ারম্যান সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিমার্জন এর ক্ষমতা বহন করেন।


সিনিয়র সহ-সভাপতি
১। সংগঠনের চেয়ারম্যান এর অনুপস্থিতে প্রধান ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন।
২। চেয়ারম্যানের সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।
৩। চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
৪। সংগঠনের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
৫। সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন,পরিবর্তন ও পরিমার্জনে সহায়তা করবেন।


সাধারণ সম্পাদক
১। সংগঠনের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন।
২। সকল প্রকার যোগাযোগ, চিঠি লেখা ও চিঠিপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে তিনি স্বাক্ষর প্রদান করবেন।
৩। সংগঠনের কার্যক্রম, কর্মসূচি ও প্রকল্প প্রস্তাবনা ও বাস্তবায়ন এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্য/সদস্যাদের সাথে সমন্বয় সাধন করবেন।
৪। সংগঠনের সকল প্রকার চিঠিপত্র,কাগজপত্র, তথ্য ও দলিল রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।
৫। প্রশাসন , প্রকল্প তৈরি, বাজেট তৈরির কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে সহযোগীতা করবেন।
৬। সকল ধরণের সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ রাখার ব্যবস্থা করবেন।
৭। সংগঠনের সার্বিক সকল নির্বাহী ও সাধারণ সদস্যদের সাথে যোগাযোগ আলাপ-আলোচনা এবং পরামর্শ বজায় রাখবেন। সংগঠনের বার্ষিক রিপোর্ট ও বাজেট পেশ করবেন।
৮। চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করে সভা আহ্বানের দিন ,তারিখ, সময় ও স্থান নির্ধারণসহ আলোচ্যসূচী উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি বিতরণের ব্যবস্থা করবেন।
৯। বিশেষ প্রয়োজনে চেয়ারম্যান এর পরামর্শক্রমে সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিমার্জন এর ক্ষমতা বহন করেন।


সহ-সাধারণ সম্পাদক
১। যুগ্ম মহাসচিব সকল কাজে সহায়তা প্রদান করবেন।
২। মহাসচিব এর অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
৩। নির্বাহী পরিষদ প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক

১। সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
২। সংগঠনের কার্যক্রমে স্থীরতা প্রকাশ পেলে এর কারণ নির্ণয় করে তা দূরীকরণের জন্য চেয়ারম্যান/মহাসচিব এর সাথে আলোচনাপূর্বক করণীয় নির্ধারণ করবেন।
৩। সংগঠনের কোন সদস্যের অনুপস্থিতি বা সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী কোন কাজ নির্ণয় এবং সমস্যাসমূহ দেখে সংগঠনের স্বার্থে সবাইকে তা অবহিত করবেন।
৪। সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা নিয়োজিত থাকবেন।
৫। সংগঠন কোন হুমকির শিকার হলে সেটি চেয়ারম্যান মহোদয়কে অবগত করবেন।
৬। সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করাই তার প্রধান কাজ।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক
১। সাংগঠনিক সম্পাদকের কাজে সহযোগিতা করাই সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের কাজ।
২। সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রচার বিষয়ক সচিব
১। সংগঠনের বিকাশ সাধনের জন্য সংগঠন হতে ঘোষিত প্রচারপত্র , পোস্টার এবং বক্তব্য অত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পৌছে দেয়া প্রচার সম্পাদকের কাজ। ২। সংগঠন হতে সকল প্রকার প্রকাশনার
ডিজাইন, তথ্য সংগ্রহ, প্রুফ দেখা সম্পন্ন করে থাকবেন।
৩। সংগঠনের বাহ্যিক প্রচারে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব নির্বাহী সভায় উপস্থাপন করবেন।
৪। প্রয়োজন অনুযায়ী সংবাদ সম্মেলন ও গোলটেবিল আলোচনার ব্যবস্থা করবেন।
৫। সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা কার্যক্রমের সময় সারা দেশব্যাপি প্রচারের ব্যবস্থা করা এবং তা যথাযথ ভাবে হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন।
৬। বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমে সংগঠনের প্রচারণার দায়িত্বও তার অধীনে।
৭। সংগঠনের বিভিন্ন খবর পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করা তার দায়িত্ব।

অর্থ সচিব
১। সংগঠনের আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখা, সংগৃহীত অর্থ যাতে সংগঠনের স্বার্থে ব্যয় হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা অর্থ সম্পাদকের মূল কাজ।
২। সংগঠনের সদস্যদের হতে মাসিক ফি সংগ্রহ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গ হতে অনুদান গ্রহণ তার দায়িত্ব।
৩। তিনি সংগঠনের অর্থের ভবিষ্যৎ উৎস চিহ্নিত করে নির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন।
৪। বার্ষিক অর্থনৈতিক রিপোর্ট করবেন এবং অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সভায় পেশ করবেন।
৫। সংগঠনের সকল প্রকার আর্থিক বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
৬। সংগঠনের তহবিল বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।
৭। সংগঠনের জমা খরচের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যাপারে অর্থ সম্পাদক সাধারণভাবে দায়ী থাকবেন।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সচিব
১। স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন কাজে পরিচালনার দায়িত্ব নিবেন।
২। স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতণতা প্রসারে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করবেন।

দপ্তর বিষয়ক সচিব
১। সংগঠনের সমস্ত তথ্য, রিপোর্ট,চিঠিপত্র,দপ্তর ও সংস্থাপন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় সংরক্ষণ করবেন।
২। সকল সভা কার্য দিবসের নোটিশ সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি সাপেক্ষে সকল সদস্যকে অবহিত করবেন।
৩। সংগঠনের বিভিন্ন সভা/অনুষ্ঠানে আগত ব্যক্তি/অতিথীদের বক্তব্য/মতামত লিপিবদ্ধ করে প্রেস রিলিজ আকারে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন।
৪। সংগঠনের সকল প্রকার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করবেন।

সমাজ কল্যাণ সচিব
১। মানুষের সাথে পরিচিতি বাড়াবেন।
২। সমাজের নানা অসঙ্গতি সংগঠনের সভায় তুলে ধরবেন।
৩। সমাজের জন্য কল্যাণকর পদক্ষেপ গ্রহণে কার্যনির্বাহী পরিষদকে সহায়তা করবেন।

সাংস্কৃতিক বিষয়ক সচিব
১। সাংস্কৃতিক যেকোন কাজে পরিচালনার দায়িত্ব নিবেন
২। বিভিন্ন ঐতিহাসিক দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নিবেন।

আইন বিষয়ক সচিব
১। সংগঠনের আইনবিভাগ পরিচালনা করবেন।
২। সংগঠনের সদস্যগণ গঠনতন্ত্র মেনে চলছে কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
৩। সংগঠন কোন আইনসংক্রান্ত নোটিশ পেলে তা সভাপতিকে অবহিত করবেন।

ত্রান ও দূর্যোগ বিষয়ক সচিব
১। দেশের সকল দূর্যোগের সময়ে সংগঠন এর পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।
২। দূর্যোগ মোকাবেলয় ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি বস্তবায়ন করবেন।

মহিলা বিষয়ক সচিব
১। দুস্থ,নিরক্ষর,অসহায়,নির্যাতিত মহিলাদের সংগঠিত করবেন এবং তাদের সম্পর্কে পরিষদকে অবহিত করবেন।
২। কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক মহিলা বিষয়ক গৃহীত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত থাকবে।

নির্বাহী সদস্য
১। সাংগঠনিক যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
২। কার্যনির্বাহী কমিটির সকল কাজে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করা সদস্যদের প্রধান কাজ।
৩। যে কোন সদস্য সংগঠনের স্বার্থে তার মতামত নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থাপন করতে পারবে।
৪। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটিতে থাকা ও কাজ করা।
৫। মাসিক সভায় উপস্থিত থাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সহায়তা করা।

অন্যান্য
১. সংগঠনের সকল সদস্যের বিপদ-আপদে সংগঠনের নির্বাহী পরিষদসহ সবাই পাশে থাকার চেষ্টা করবে।
২. সংগঠনের সকল সদস্য সংগঠনের উন্নয়নে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।
৩. নির্বাহী পরিষদসহ সকল সদস্যের নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে।
৪. কোন অভিযোগ, কোন অনুযোগ, পরামর্শের জন্য নির্বাহী পরিষদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
৫. সদস্যদের মধ্যে কোন অভ্যন্তরীণ কোন্দল থাকা যাবে না,যা সংগঠনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।
 

অনুচ্ছেদ-৯

অনুষ্ঠানাদি :
সরকার ঘোষিত সকল দিবস যথা, ভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, জাতীয় শোক দিবস ইত্যাদি উদযাপন করা হবে। তবে পারস্পরিক পরিচিতি, সৌহার্দবোধ, বন্ধন এবং ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টিই অনুষ্ঠানাদির মূল লক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে।

বিবিধ:
সংস্থার স্বার্থে চেয়ারম্যান নির্বাহী পরিষদ এর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন,পরিবর্তন ও পরিমার্জন এর ক্ষমতা বহন করেন। সংস্থার স্বার্থে চেয়ারম্যান ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বহন করেন।
 

BDMW
একটি মানবাধিকার, শালিস ও আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা। এটি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক একটি স্বেচ্ছাসেবী মানবাধিকার সংস্থা।

0 Comments

Newest